Outstanding Achievement of a Bangladeshi Student in Japan

Dr. Mohammad Azizur Rahman

Dr. Mohammad Azizur Rahman

Mohammad Azizur Rahman, a Bangladeshi student of Jahangirnagar University (JU),  Savar, Dhaka, has achieved PhD degree with distinction from the Graduate School of Natural Science and Technology, Kanazawa University, Japan. The doctoral dissertation entitled ‘Phytoremediation of Arsenic by Aquatic Floating Macrophytes’ focuses the remediation of arsenic from water and soil. His outstanding achievement during doctoral research is honored with the ‘President Award’ as the ‘Excellent Student of Kanazawa University 2008’. The news was published in The Kanazawa University web public information magazine ‘e-Acanthus’ on September 26, 2008.
Unique findings of his research is published in the recognized international journals and highly praised by the critics, also. He was also awarded the Japan Government (Monbukagakusho: MEXT) scholarship during his study. He also awarded the Japan Society for the Promotion of Science (JSPS) postdoctoral fellowship immediately after the completion of my PhD. Presently Dr. Aizizur is continuing his research on arsenic phytoremediation as a JSPS postdoctoral fellow.

Photographs: Receiving the ‘President Award’ as the ‘Excellent Student of Kanazawa University 2008’ from the president of Kanazawa University, Japan

Photographs: Receiving the ‘President Award’ as the ‘Excellent Student of Kanazawa University 2008’ from the president of Kanazawa University, Japan

Photographs: Award giving ceremony at Kanazawa University, Japan in which President of the University was distributing the award of the ‘Excellent Student of Kanazawa University 2008’

Photographs: Award giving ceremony at Kanazawa University, Japan in which President of the University was distributing the award of the ‘Excellent Student of Kanazawa University 2008’

While receiving the ‘President Award’, he expressed tribute to his respected teachers and well-wishers in Bangladesh and abroad for their supports and advices.

SHORT BIOGRAPHY OF DR. AZIZZUR RAHMAN:

Dr. Mohammad Azizur Rahman, son of Md. Ramez Uddin and Mrs. Nur Jahan Begum born and grown up in a small heavenly village of Gazipur district, Bangladesh. After completion of his primary education from local school, and secondary education from religious school, he graduated in Botany from Jahangirnagar University, Savar, Dhaka, Bangladesh in 2000. He completed his M. Sc. from the same university in the following year, and joined in a collage as a lecturer of biology. He received the selection of Japan Government scholarship (MONBOKAGAKOSHU) to pursue his PhD in 2005.

Click here for his Research and Publication

জাপানে বাংলাদেশী ছাত্রের কৃতিত্ত্বঃ
ডঃ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান জাপানের কানাজাওয়া ইউনিভার্সিটি থেকে ২০০৮ সালে ‘Phytoremediation of Arsenic by Aquatic Floating Macrophytes’ অভিসন্দর্ভের জন্য পি এইচ ডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন। তার গবেষণায় উ্েল্লখযোগ্য সাফল্যের জন্য তাকে কানাজাওয়া ইউনিভার্সিটি কর্তৃক ২০০৮ সালের সেরা ছাত্র (Excellent student of the year) হিসাবে ‘President Award’ প্রদান করা হয়, যা উক্ত ইউনিভার্সিটির অনলাইন ম্যাগাজিন  ‘e-Acanthus’ এ সেপ্টেম্বর ২৬, ২০০৮ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। তার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণাপত্র বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত এবং সমাদৃত হয়েছে। ইতিপূর্বে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কৃতিত্ত্বের সাথে ১৯৯৯ (২০০১ সালে অনুষ্ঠিতব্য) এবং ২০০০ (২০০৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য) সালে যথাক্রমে বি এস সি (অনার্স) এবং এম এস সি (মাষ্টার্স) ডিগ্রী অর্জন করেন, এবং ২০০৫ সালে জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে উচ্চশিক্ষার্থে জাপান গমন করেন। বর্তমানে তিনি Japan Society for the Promotion of Science (JSPS) পোষ্ট ডক্টরাল ফেলো হিসাবে কর্মরত আছেন। এওয়ার্ড গ্রহণকালে তিনি তার সাফল্যের জন্য শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মন্ডলী এবং সকল সুভানুধ্যায়ীদের অবদানকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্বরণ করেন।

ডঃ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ১৯৭৯ সালের ২ জানুয়ারী গাজীপুর জেলার কালীগন্জ উপজেলার নরুন গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মাওলানা মোঃ রমিজ উদ্দিন এবং নূর জাহান বেগমের চতুর্থ সন্তান। তিনি সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।

স্টাডিলাইন চালু করতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন

ইত্তেফাক রিপোর্ট, জুন ১৬, ২০০৯, মঙ্গলবার : ২ আষাঢ়, ১৪১৬

দেশের প্রথম শিক্ষা বিষয়ক কল সেন্টার স্টাডিলাইন চালু করতে যাচ্ছে গ্রামীণফোন লিমিটেড। এই সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহকরা শিক্ষা সংক্রান্ত দেশ-বিদেশের বিভিন্ন তথ্য জানতে পারবেন। আগস্ট থেকে এই সেবাটি চালু করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সার্ভিসটি চালু করতে গ্রামীণফোনকে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে এভিস্তা টেকনোলজিস লিমিটেড। গতকাল সোমবার গ্রামীণফোন কার্যালয়ে এই দুইটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। গ্রামীণফোনের পক্ষে সিইও ওডভার হেশজেদাল ও এভিস্তা টেকনোলজির পক্ষে সিইও সৈয়দ খায়রুল হাসান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এসময় গ্রামীণফোনের সিইও বলেন, “গ্রামীণফোন সবসময়ই তার সাধারণ ব্যবসার বাইরে উদ্যোগ নিতে আগ্রহী। স্টাডিলাইন সেরকম একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে সমস্যায় পড়ে এবং যথাযথ তথ্যের অভাবে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। স্টাডিলাইন চালু হওয়ার পর এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে।

দৈনন্দিন জীবনের উপযোগী সেবা প্রদানের আগ্রহের ধারাবাহিকতায় গ্রামীণফোন স্টাডিলাইন সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে। যে কোন গ্রামীণফোন সংযোগ থেকে নির্দিষ্ট একটি নম্বরে ফোন করে এই সার্ভিসের মাধ্যমে স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য, সারা বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির পদ্ধতি, আইইএলটিএস, স্যাট, জিম্যাট, জিআরই ইত্যাদি পরীক্ষার তথ্য এবং অন্যান্য সেবা পাওয়া যাবে। স্টাডিলাইন এর লক্ষ্য হচ্ছে সঠিক ও সর্বশেষ তথ্য প্রচার করা, যা শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের জন্য কাছে নির্ভরযোগ্য মনে হবে।

ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসিতে ভর্তি

ইত্তেফাক রিপোর্ট, জুন ০৯, ২০০৯, মঙ্গলবার : ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪১৬

  • জিপিএ ৫-এর ক্ষেত্রে ৪৩ পয়েন্ট
  • একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার
  • ভর্তি আবেদনপত্র দশ টাকাসহ সর্বোচ্চ ৬০ টাকা
  • ভর্তির শেষ সময় ৭ জুলাই

সারাদেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজে ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে গতকাল সোমবার ভর্তির নীতিমালা ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা অনুযায়ী এ বছর কোন বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা না নিয়ে কেবল এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। বিভাগীয় সদর ও জেলা সদরের কলেজে শতকরা ৮৮ ভাগ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং ১২ ভাগ আসন বিভাগীয় ও জেলা সদরের বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

জিপিএ-৫ প্রাপ্ত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সকল বিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৪৩ পয়েন্ট ধরে ক্রমান্বয়ে ৪০ পয়েন্টপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুযোগ দেয়া হবে। বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে ৪০ পয়েন্টপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে সমান পয়েন্ট অর্জনের বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সাধারণ গণিত অথবা উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানে পাঁচ পয়েন্টপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। সমস্যার সমাধান না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজী, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞানে অর্জিত পয়েন্ট বিবেচনায় আনা হবে। তাতেও সমাধান না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকাস্থ শিক্ষা বোর্ডের কম্পিউটার কেন্দ্রের সভাপতির কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীদের পারস্পরিক মেধাক্রম সংগ্রহ করে প্রার্থী বাছাই করবে। এ নীতিমালায় যাই থাকুক না কেন নিজস্ব প্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। সমমেধাসম্পন্ন প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও পোষ্যদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ২০০৭, ২০০৮ ও ২০০৯ সালে দেশের যে কোন শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির যোগ্য হবে। বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায়, মানবিক শাখার শিক্ষার্থীরা মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার যে কোন একটি এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখা নির্বাচন করতে পারবে।

কলেজ কর্তৃপক্ষ ভর্তিচ্ছুক আবেদনপত্র ফরমের মূল্য বাবদ ১০ টাকা এবং ভর্তি ব্যবস্থাপনা ব্যয় নির্বাহের জন্য ৫০ টাকা মিলেয়ে মোট ৬০ টাকা রসিদ প্রদানসহ গ্রহণ করবে। এছাড়া ভর্তির সময় বোর্ড অনুমোদিত অন্যান্য ফিসহ রেজিষ্ট্রেশন ফি ৫০ টাকা, ক্রীড়া ফি ২৫ টাকা, রোভার স্কাউট বা গার্লস গাইড ফি ১০ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা, শাখা বা বিষয় পরিবর্তন ফি ২৫ টাকা, পাঠ বিরতি ফি ১০০ টাকা, বিলম্ব ভর্তি ফি ৫০ টাকা গ্রহণ করা যাবে।

কলেজসমূহ তাদের অবকাঠামো ও শিক্ষক সংখ্যা অনুসারে আসন সংখ্যা নির্ধারণ করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তির পূর্বেই শিক্ষা বোর্ডকে অবহিত করবে এবং বোর্ডসমূহ স্ব স্ব অধিক্ষেত্রে অবস্থিত কলেজসমূহ এ বিধানের ব্যত্যয় রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বোর্ড নির্ধারিত ফিসহ সকল ফি, আসন সংখ্যা, ভর্তির যোগ্যতা ইত্যাদি উল্লেখ করে কলেজ কর্তৃপক্ষ কলেজের নোটিস বোর্ডসহ যথাযথ প্রচারের ব্যবস্থা করবে। আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর কোন কলেজ এ নীতিমালা অনুযায়ী আসন সংখ্যার সমান সংখ্যক ভর্তিযোগ্য প্রার্থীদের একটি মেধাক্রম তালিকা এবং মোট আসন সংখ্যার ন্যূনতম ২৫ শতাংশ অপেক্ষমাণ মেধা তালিকা প্রকাশ করবে। ভর্তির সময় প্রার্থীকে মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বা নম্বরপত্র ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রশংসাপত্র দাখিল করতে হবে।

২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীতে বিলম্ব ফি ছাড়া ভর্তি ও ব্যাংক ড্রাফট করার শেষ তারিখ ৭ জুলাই। ক্লাস শুরু হবে ১২ জুলাই। বিলম্ব ফি ছাড়া ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের টটলিষ্ট, রেজিষ্ট্রেশন ফি ও মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বা মার্কশিট বোর্ডে জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২০ জুলাই। বিলম্ব ফিসহ ভর্তি ও ব্যাংক ড্রাফট করার শেষ তারিখ ২০ জুলাই, বিলম্ব ফিসহ টটলিস্ট, রেজিষ্ট্রেশন ফি ও মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বোর্ডে জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৮ জুলাই। ব্যবহারিক ক্লাস শুরু করতে হবে ৩ আগস্ট।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক শিক্ষার্থীর শাখা বা বিষয় পরিবর্তনের ব্যাংক ড্রাফট করার শেষ তারিখ ১১ আগস্ট। শাখা বা বিষয় পরিবর্তনকারী শিক্ষার্থীর ব্যাংক ড্রাফটসহ তালিকা বোর্ডে পাঠানোর শেষ তারিখ ১৭ আগস্ট ও পূরণকৃত এসআইএফ শিক্ষা বোর্ডে জমাদানের শেষ তারিখ ২৬ অক্টোবর। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোন অবস্থাতেই কোন শিক্ষার্থীর মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট বা নম্বরপত্র আটক রাখতে পারবে না।

Open Education in Poland

As reported by the Creative Commons blog, two very important conferences were held in Warsaw, Poland earlier May 2009 (and late April 2009): “Open Educational Resources in Poland” (23 April ’09) and “Open Science in Poland” (5 May ’09).

The aim of the conference was to present the open education movement and the model of open educational materials for all levels of the educational process, to argue for the importance of open education in Poland, and to increase broad interest and involvement. This first-in-its-kind event, organized as a parliamentary conference, drew the attention of both government members and Parliament members to the issue of open education.

The Polish Minister of Education,Katarzyna Hall, declared Ministry’s interest in open educational models as means of creating modern and effective education. She said during the opening ceremony:

Especially in small towns and villages [...] internet makes education more democratic, more accessible, so that important resources are available at any time.

The focus of the conference varied from policy issues, to complementary educational resources and textbooks. The cost of textbooks in Poland is one of the central point of difficulties regarding access to education in that country.

For details read: creative commons blog

eLearning Africa Conference Shows How ICTs Empower Education for All in Africa

Using examples from 60 countries, the 4th eLearning Africa conference, Africa’s largest event for learning technologies, will show how Information and Communication Technologies are helping African countries to reach the Millennium Goal of education for all. The eLearning Africa conference, which is to be held May 27th – 29th in Dakar, Senegal, will bring together ministers of education, senior government leaders, non-governmental organisations, school and university educators, developmental agencies and key business executives.

They will exchange ideas, learn about new educational technologies and share best practices for introducing and expanding educational technology in their communities.

eLearning Africa will be officially opened by the President of the Republic of Senegal, His Excellency Abdoulaye Wade, followed by a panel of highly renowned eLearning experts and executives from organisations and companies such as NEPAD, UNESCO and NComputing. Beginning on Wednesday with 19 pre-conference events, the event will feature 60 sessions and 20 best practice demonstrations that cover current aspects of eLearning development in Africa.

A Focus on M-Learning

Mobile learning is of particular interest in Africa, given the number of mobile devices available and the lack of reliable terrestrial Internet access. eLearning Africa 2009 features many interesting practical examples, such as m-learning for health-care workers, initiated by the Institute of Tropical Medicine in Belgium; mobile learning opportunities by l’Ecole Nomade in France; a study by the University of South Africa on the use of Mxit; and a partner programme of the Mid Sweden University and the Open University of Tanzania that uses mobile phones to enhance in-service teacher training.

Affordable and reliable Internet access solutions remain a challenge for most education and training practitioners in Africa. Presentation sessions in which access is discussed will include input from the Senegalese Government, the French Foreign Office, Computer Aid International and AfrISPA.

Universities: Drivers for Innovation

A session on university experience in putting in place effective technology-enhanced learning will feature presentations from universities including Université Cheikh Anta Diop dé Dakar, Senegal; University of Dar Es Salaam, Tanzania; Université de Nouakchott, Mauritania; and École des Sciences de l’Information, Morocco. They and many others will provide first-hand accounts of the opportunities and challenges they face.

Now in its fourth year, eLearning Africa has established itself as the key event on ICT for development, education and training on the African continent. Its mission is to bring people together who are actively engaged in education and in the implementation of learning technologies in schools, universities, corporate training programmes as well as in education in the public sector.

Participants are policymakers such as Ministers of Education, representatives from government agencies, non-governmental organisations (NGOs), development agencies and international organisations, senior executives from businesses, as well as practitioners from all fields of education. The conference will be held in both English and French.

Source: The Ghanaian Journal

Fellowship recruits in Bangladesh

By: Liz Stark

GSB scholarship aims to aid country’s rural poor

Stanfor University

Stanford University

Stanford’s Graduate School of Business (GSB) has announced its new Grameen Fellows Program for the 2009-2010 academic year, which will offer full financial scholarships to two Bangladeshi students for the school’s two-year MBA program.

“We love to have a student body that is reflective of all different life and cultural experiences,” said Lisa Giannangeli, director of marketing for MBA admission at the GSB. “We want to make sure that we’re able to offer this experience to those who couldn’t normally afford it.”

The program, made possible by an anonymous GSB donor, is named after the Bangladesh-based Grameen Bank. The bank has gained recognition for its mission to improve the lives of the country’s rural poor by making credit available to them and encouraging self-employment.

Stanford University Campus View

“The donor was very impressed by Grameen Bank,” Giannangeli said. “She thought it would be particularly important to support Bangladeshi students.”

Grameen Bank and its founder, Muhammad Yunus, were co-recipients of the Nobel Peace Prize in 2006.

The program stipulates that Grameen Fellows must be current citizens and residents of Bangladesh and that, within two years of graduating from Stanford’s MBA program, they must return to Bangladesh for two years of work in the public or private sectors.

“We want people who have a sense of pride in their home country and a desire to develop Bangladesh,” Giannangeli said.

While officials hope the Grameen fellows will assist their own communities, they also believe the students can add to the Stanford community. The GSB Web site comments that Bangladeshi students provide “direct and personal insight into an emerging economy” and can “[educate] the student body about Bangladesh’s potential.”

Based on the size of the anonymous gift, the GSB currently plans to offer the program for the 2009-2010 academic year only.

The GSB estimated that the cost of one year in the MBA program ranges from $85,000 to $95,000. This figure includes application and testing fees, both of which are covered by the scholarships.

Those applying to the Grameen Fellows Program will submit a pre-application to be reviewed by officials at Grameen Bank.

“[Grameen] will provide some regional, specific knowledge,” Giannangeli said.

According to the GSB Web site, 20 finalists will be chosen from the pre-application pool on the basis of “merit, financial need and commitment to developing Bangladesh.”

The number of finalists seeks to ensure that “we have a pretty healthy pool of applicants,” Giannangeli said.

Finalists will then fill out the regular application for the Stanford MBA program. From the pool of finalists, two fellows and two alternates will be chosen.

Because demonstrated financial need is one of the factors in the admission process, no partial scholarships will be awarded.

The GSB is working with Grameen Bank to advertise the program in Bangladesh.

According to Giannangeli, the bank has reached out to Grameen employees, the children of its borrowers and recipients of its own undergraduate scholarship program, which has provided for 30,000 students since its inception.

In addition to announcing the program on its site and blog, the GSB has also sent targeted emails to Bangladeshi citizens who have taken the GMAT or previously expressed interest in the MBA program.

University Site: http://www.stanford.edu

বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬ শাখাকে আইনি কাঠামোয় আনা হচ্ছে

বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাত অবৈধ ৫৬টি প্রতিষ্ঠানের ভাগ্য নির্ধারণের ব্যাপারে পুনরায় ভাবছে সরকার। এসব প্রতিষ্ঠানকে আইনের কাঠামোয় নিয়ে আসতে কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ লক্ষ্যে খসড়া নীতিমালা প্রণয়নও প্রায় শেষ পর্যায়ে। চলতি মাসের শেষ দিকে সুপারিশগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পেশ করা হবে বলে ইউজিসি সূত্র জানিয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, শর্ত পূরণকারীরাই কেবল তাদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এ ছাড়া বাকিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্খা নেয়া হবে।বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৯২ ও সংশোধিত আইন ১৯৯৮ লঙ্ঘন করে দেশে পরিচালিত ৫৬টি বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখাকে অবৈধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। বিদেশী এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নাম নিয়ে দীর্ঘদিন তারা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ইউজিসি’র অনুমোদন না নিয়েই বিভিন্ন বিষয়ে ডিগ্রি দেয় শিক্ষার্থীদের। এগুলো হলো ধানমন্ডির হেড ওয়ে ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ, নিউ ক্যাসেল ল’ অ্যাকাডেমি, সেন্টার ফর ম্যানেজমেন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ভূঁইয়া একাডেমি, ম্যাপেললিফ ইনফরমেশন সেন্টার ফর হায়ার স্টাডিজ ইনস্টিটিউট অব ল’, ইনভায়রনমেন্ট এগরিকালচার এন্ড ডেভেলপমেন্ট সারভিস লিমিটেড (ইএডিএস), ওয়ার্ল্ড ইনস্টিটিউট অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি (ডব্লিউআইবিটি), বানানীর ম্যানট্রাস্ট ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি, লালমাটিয়ার নর্থ এমেরিকান ইউনিভার্সিটি, পান্থপথের গ্রিন ভ্যালি ইউনিভার্সিটি, গ্রিন রোডের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বিজনেজ এডমিনিস্ট্রেশন এন্ড ইনফরমেশন সায়েন্স (এনআইবিএআইএস), দিলকুশার জিইএসএ বাংলাদেশ, উত্তরার ইএল ডিওআরএডিও, মোহাম্মদপুরের নিউরাল ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি, গুলশানের পারদানা কলেজ অব মালয়েশিয়া, চট্টগ্রামের ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি, উত্তরার দ্য ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বনানীর অস্ট্রেলিয়া ইনস্টিটিউট অব বিজনেজ টেকনোলজি, উত্তরার দ্য প্রোগ্রেসিভ ম্যারিটোক্রেসি লিমিটেড, জেমস কুক ইউনিভার্সিটি, নয়া পল্টনের ইউনিভার্সিটি অব বালারাত, খুলনার ওয়েস্ট কস্ট ইউনিভার্সিটি অব পানামা, বনানীর রয়েল রোর্ড ইউনিভার্সিটি, গুলশানের ক্যাম্ব্রিয়ান কলেজ কানাডা, ধানমন্ডির দ্য ল’ টিউটরস, সফট-ইডি লিমিটেড, ইউনিভার্সিটি অব লুটন, বনানীর ইউনিভার্সিটি অব নর্থ আমেরিকা, চট্টগ্রামের এজামশন ইউনিভার্সিটি (এবিএসি) থাইল্যান্ড, ধানমন্ডির সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল টেকনোলজি, কলাবাগানের ড্যাফোডিলস ইনস্টিটিউট অব আইটি, সিলেটের ইনস্টিটিউট অব বিজনেজ এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি, ধানমন্ডির এসএএফএস ইন্টারন্যাশনাল, উত্তরার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আর্টস ডিজাইন এন্ড টেকনোলজি, বনানীর সিএটি এসিসিএ প্রেসটোন ইউনিভার্সিটি, ধানমন্ডির ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি ইউএসএ, খুলনার অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ধানমন্ডির ইউনিভার্সিটি অব হনলুলু, ভূঁইয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, ইউনিভার্সিটি অব নিউ ক্যাসেল, নিউরাল সিস্টেম লিমিটেড, আইবিসিএস প্রাইমেক্স লিমিটেড, রাজশাহীর ইউনিক কম্পিউটিং, ঢাকা সেন্টার ফর ল’ এন্ড ইকনোমিক্স, গুলশানের ব্রিটিশ স্কুল অব ল’, ঝিগাতলার আটলান্টিক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বনানীর এশিয়ান সেন্টার ফর ম্যানেজমেন্ট এন্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি, ইউনিভার্সিটি অব উলাংগং অস্ট্রেলিয়া, উত্তরার পিসব্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি, নিউ ইস্কাটনের এসআর জিবিএইসি সেন্টার ফর বিজনেস স্টাডিজ, চট্টগ্রামের ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি ও খুলনার পানামা ইউনিভার্সিটি।

রকার এসব প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ ঘোষণা করে শিক্ষাকার্যক্রমের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করে দেয়। শুরুতে এসব প্রতিষ্ঠান বìধ করে দেয়ার কথা বললেও সম্প্রতি তা নিয়ে নতুন চিন্তাভাবনা শুরু হয়। সেজন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে শেষবারের মতো সুযোগ দিয়ে কিছু শর্তারোপ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ইউজিসি কিছু নীতিমালাও প্রণয়ন করছে। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে এ মাসের শেষ দিকে সরকারের কাছে পেশ করা হবে। এ নিয়ে গতকাল বিকেলে নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির একটি সভাও অনুাষ্ঠিত হয়। নীতিমালা অনুযায়ী শর্ত পূরণকারীরাই কেবল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। আর ব্যর্থদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্খা। এ ব্যাপারে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম নয়া দিগন্তকে বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোনো বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বাংলাদেশে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি, ডিপ্লোমা বা সার্টিফিকেট কোর্স পরিচালনা করা কিংবা ডিগ্রি, ডিপ্লোমা বা সার্টিফিকেট প্রদান অবৈধ। চিহ্নিত এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে আমরা সতর্ক করে দিয়েছি। তবে তারা যদি স্টাডি সেন্টার হিসেবে এখানে পড়াতে চায় সেরকম অনুমোদনও নিতে হবে। আর তাদের আইনের কাঠামোয় নিয়ে আসতে নীতিমালা তৈরিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। এতে যারা শিক্ষা বিস্তারে প্রকৃতপক্ষেই সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে তাদের শিক্ষাকার্যক্রমের সুযোগ নিশ্চিত হবে।

জাকির হোসেন লিটন, দৈনিক নয়া দিগন্ত, ১৯ নভেম্বর ২০০৭