Broadband revolutionizes education on remote Maldives atolls

© UNICEF Maldives/2007/Kun LiRASHDOO ISLAND, Maldives, 26 November 2007 – In a historical event for the Maldives today, the country is launching 20 broadband-enabled, child-friendly learning centres, which link 20 of the country’s atolls.

Supported by UNICEF, the connected Teacher Resource Centres (TRCs) will create a virtual learning environment accessible throughout the Maldives.

Because this Indian Ocean archipelago is made of 1,200 small islands – 200 of which are inhabited – up to 80 per cent of teacher-training costs are related to transportation. As a result, many teachers remain untrained. The TRCs will greatly alleviate these logistical problems, reaching teachers and children that are otherwise hard to reach.

“It’s down to basics. Transport is costly, making it expensive and often dangerous for children to travel between islands to get a better education and for teachers to upgrade their skills,” said UNICEF Representative in the Maldives Ken Maskall.

‘A child-friendly teacher’

On remote Rashdoo Island, teacher Asina Ahmed connects to the Internet and uses a ‘smart board’ with a touch-sensitive screen to liven up a math class. The teacher invites Aishath Zayba Ismail, 8, to count the number of cherries in a fruit basket. Ismail approaches, places her hand over the images and glides each cherry across the white board. With a special pen she writes the words ‘four cherries’ on the screen.

Before the Internet and smart board arrived, there was no interactive learning in Rashdoo Island. Now, broadband connectivity across the atolls has enabled new learning methods to take off, making classrooms fun while fostering children’s communications skills.

“The Internet and smart board have made me a child-friendly teacher,” said Asina Ahmed. “The lessons are e-mailed each day and I can use the Internet to show children simple things – like what a cherry tree farm looks like – unlike a photograph in a text book.”

Connecting remotely

Literacy rates in the Maldives exceed 90 per cent, with nearly all children receiving some form of primary education. However, the enrolment rate in secondary school drops sharply. UNICEF estimates that more than 30 per cent of Maldivian teachers are untrained; many islands have up to 100 pupils per trained primary-school teacher.

Even though some 70 per cent of the population live on islands far from the capital, the TRCs will make it possible for them to connect remotely. Rashdoo is just 1 of the 20 islands to be connected so far.

Rashdoo Island’s chief, Mohamed Shafi, is a former teacher himself and believes that the new technology has reduced the frustration of learning for many students. “The smart board has brought the world to our children’s feet,” Mr. Shafi said.

Source: http://www.unicef.org

Unicef

Advertisements

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্য এগিয়ে আসুন

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্য এগিয়ে আসুন, আপনাদের সাহায্যে আবার আমরা সবাই উঠে দাঁড়াবো, বাঁচতে শিখব। দেশে বিদেশে যে যেখানে আছেন সেখান হতেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

সাহায্যের জন্যে যোগাযোগের কিছু প্রয়োজনীয় ঠিকানা/সংযোগ দেখুন:

প্রধান উপদেষ্টা’র ত্রান ও কল্যান তহবিলে বাংলাদেশসহ পৃথিবী’র যে কোন প্রান্ত থেকে সরাসরি কেউ দান করতে চাইলেঃ

Chief Adviser’s Relief and Welfare Fund
Current Account No. 33004093
Sonali Bank, Prime Minister’s Office Branch
Tejgaon, Dhaka, Bangladesh.
SWIFT Code : BSONBDDH.

অষ্ট্রেলিয়া থেকে: যারা অষ্ট্রেলিয়া থাকেন তারা যোগাযোগ করতে পারেন
অষ্ট্রেলিয়াস্থ বাংলাদেশ মিশনে,
Bangladesh High Commission ,Canberra
Account Name: Relief Fund
Account Number: 032729 199161
Bank: Westpac Banking Corporation
Branch: Manuka, ACT

আমেরিকা থেকে: যারা আমেরিকায় থাকেন যোগাযোগ করতে পারেন
নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যূলেট জেনারেল অফিসে,
Chief Adviser’s Relief and Welfare Fund
Current Account No. 33004093
SWIFT Code: BSONBDDH
Sonali Bank, Prime Minister’s Office Branch
Tejgaon, Dhaka

For any clarification on the procedure, please contact Bangladesh Consulate General in New York directly or speak to Mr. Salahuddin Noman Chowdhury, Consul at 1-212-599-6767 ext 15/10/21 or 212-687-5368.

কানাডা থেকে: যারা কানাডায় থাকেন তারা যোগাযোগ করুন রাজধানী
অটোয়াস্থ বাংলাদেশ মিশনে,
Prime Minister’s Relief Fund, Account No. 00236-5077441, Royal Bank of Canada, 99 Bank Street, Ottawa, Canada, C/O – Bangladesh High Commission, Ottawa. SWIFT Code : ROYCATT2.

If you are sending bank/postal draft, cheque , etc., you may also send it to Bangladesh High Commission in Ottawa (275 Bank street, Suite-302, Ottawa, ON K2P 2L6) for deposit with the accounts.

এছাড়াও সরাসরি দান করতে পারেন বিভিন্ন আন্তর্যাতিক সাহায্য সংস্থা’র মাধ্যমে,

১. আন্তর্যাতিক রেড ক্রস/ ক্রিসেন্ট সোসাইটি
রেড ক্রস/ক্রিসেন্ট এর একটি আবেদন
২. ওয়ার্ল্ড ভিশন
৩. সেইভ দ্যা চিল্ড্রেন
৪. কেয়ার
৫. জাতিসংঘ ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম
৬. ইউনিসেফ
৭. প্লান ইন্টারন্যশনাল কানাডা
৮. ডাইরেক্ট রিলিফ ইন্টারন্যাশনাল

বিশ্ব প্রচার মাধ্যমে সিডর খবর ও ছবি
ও ভিডিও ফুটেজ,
১. সিবিএস নিউজ
২. আল জাজিরা নিউজ
৩. সি এন এন নিউজ
৪. রয়টার্স
৫. প্রেস টিভি
৬. বিভিদ ইউটিউব ভিডিও

তথ্যসূত্রঃ উপরের তথ্যগুলো প্রায় হুবুহু তুলে দেয়া হয়েছে ব্লগার লাল দরজা’র ব্লগ থেকে।

ছবিঃ বরগুনার আশারচরে গাছে ঝুলে আছে হতভাগ্য যুবকের লাশ। সৌজন্যে শফিউদ্দিন বিটু, দৈনিক নয়া দিগন্ত

ক্লাস শুরুঃ আবার মুখরিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, লেজুড় রাজনীতি নয়, শান্তির ক্যাম্পাস চায় ছাত্র শিক্ষকরা

লেজুড়বৃত্তি রাজনীতির জন্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে বার বার সহিংস ঘটনা ঘটে। এর স্থায়ী অবসান দরকার

।। সাইদুর রহমান ।।

প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে। টানা ৬৬ দিন বন্ধ থাকার পর ছাত্র-শিক্ষকদের পদচারণায় আবার মুখরিত হয়ে উঠেছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। গতকাল রবিবার একযোগে ঢাকা, রাজশাহী, শাহজালাল ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছে। খোলার প্রথম দিনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে নিয়মিত ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, আমরা শান্তির ক্যাম্পাস চাই। ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ ধরে রাখতে হলে অবিলম্বে শিক্ষাঙ্গন থেকে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। সময়ের প্রয়োজনে ৭৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশের সংশোধন করা অপরিহার্য। তবেই ক্যাম্পাসে সহিংস ঘটনার স্থায়ীভাবে অবসান হবে।

গত ২০ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। এক এক করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ও ক্লাস চালু হয়েছে। গতকাল ছাত্র-শিক্ষকদের পদচারণায় প্রাণ ফিরে পেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। সকাল সকাল মধুর ক্যান্টিনে এসে উপস্থিত হন ছাত্রদল-ছাত্রলীগের ও বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা। সকালে ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি কম হলেও লাইব্রেরিতে ছিল উপচেপড়া ভিড়। স্বাভাবিকভাবে ক্লাসে যোগ দেয় শিক্ষার্থীরা। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষদের ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন বর্ষের স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে ৫ নভেম্বর থেকে। এর আগে ৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৭-২০০৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির ফরম বিতরণ করা হবে। চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত। ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৭ ডিসেম্বর। ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা ২৮ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১১ জানুয়ারি। ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা ৩০ নভেম্বর এবং ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা ৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘদিন পর ক্যাম্পাস খোলায় ছাত্র-ছাত্রীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে পরস্পরের মধ্যে নারকেল নাড়ণ্ড বিতরণ করে। সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী মৌসুমী ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাস বন্ধ থাকুক এমন কোন পরিস্থিতি আমরা চাই না। শিক্ষার্থীদের আগমনে ক্যাম্পাস চিরচেনা রূপ ফিরে পেয়েছে। সহিংস ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় খুললেও ক্যাম্পাসে কোন পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি। প্রবেশের বিভিন্ন পথে পুলিশের অবস্থান ছিল। কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা হল ক্যাম্পাসের প্রাণ। ক্যাম্পাসের স্থিতিশীলতা, গতিশীলতা, স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

এদিকে কারাবন্দি ছাত্র-শিক্ষকদের মুক্তির জন্য দুপুরে বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ক্যাম্পাস সচল রাখার স্বার্থে ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মানবেন্দ্র দেবসহ অন্যদের মুক্তির দাবি করেন নেতা-কর্মীরা। এর আগে ভিসির সঙ্গে দেখা করে সাংবাদিকতা বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র দীন ইসলামের পিতা সন্তানের মুক্তির দাবি জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য শিক্ষকরা বিভিন্ন অভিমত দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, শিক্ষাঙ্গনে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে হলে সহিংস ঘটনা দূর করতে হবে। এর জন্য ক্যাম্পাসে কোনভাবে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩ অধ্যাদেশের কিছু পরির্তন দরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আকতার হোসেন খান বলেন, ক্যাম্পাস সচল রেখে সেশন জট দূর করতে হবে। বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস এ ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাস সচল রাখতে সহিংস ঘটনা পরিহার করার কৌশল নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. শহীদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সেশন জটের জন্য সহিংস ঘটনা দায়ী। এটির স্থায়ী সমাধান জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম আসাদুজ্জামান বলেন, অনেক কষ্ট করে অভিন্ন সেমিস্টার চালু করেছিলাম। কিন্তু দুই মাস বন্ধের ফলে অনেক ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষকদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে ৭৩ বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের সংশোধন জরুরি।

সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ বলেন, শিক্ষা কার্যক্রম বিঘিœত করলে হবে না। সবাইকে একযোগে ক্যাম্পাসের শান্তিপূর্ণ পরিবেশের জন্য কাজ করতে হবে। সেশন জট নিরসনের জন্য ছাত্রদের অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে নিয়মনীতি মেনে শিক্ষকদের ক্লাস ও পরীক্ষা নিতে বলা হয়েছে। অবিলম্বে লাইব্রেরির সমস্যা দূর করা ও হলের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবেন বলে তিনি জানান।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা জানান, ঈদুল ফিতর ও দুর্গাপূজার দীর্ঘ ২০ দিনের ছুটির পর গতকাল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছে। যথারীতি ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ক্যাম্পাস শান্ত থাকায় ক্যাম্পাসে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা চোখে পড়েনি।

দৈনিক ইত্তেফাক
অক্টোবর ২৯, ২০০৭, সোমবার : কার্তিক ১৪, ১৪১৪

সম্ভাবনাঃ ওয়ার্ল্ড রিসার্চ সেন্টার এন্ড আর্কাইভ উন্মুক্ত

ইংরেজি সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘দি ইকোনমি’ এর অঙ্গ সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড রিসার্চ সেন্টার এন্ড আর্কাইভ’ রিসার্চ কার্যক্রম এবং রেফারেন্স স্টাডির জন্য এখন থেকে বিশেষ পেশাজীবীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এ সেন্টারে রয়েছে প্রায় দুই দশকের বাংলাদেশের প্রায় সব দৈনিক পত্রিকা, সাপ্তাহিক ও মাসিক, দেশী-বিদেশী ম্যাগাজিন এবং মূল্যবান বই পুস্তক।

বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, গবেষক ও স্নাতকোত্তর ছাত্রছাত্রীরা শর্তসাপেক্ষে রিসার্চ সেন্টার এন্ড আর্কাইভের সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আগ্রহী ব্যক্তিগণকে পাসপোর্ট সাইজের তিন কপি রঙ্গিন ছবি ও জীবনবৃত্তান্তসহ নিম্নে উল্লিখিত ঠিকানায় যোগাযোগ করার আহবান জানানো হয়েছে।

ঠিকানাঃ ৫/ডি সিদ্ধেশ্বরী লেন (নিচতলা) ঢাকা ১২১৭
ফোনঃ ০২-৮৩৬৩৪১০

তথ্যসূত্রঃ দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি

Call call2siraj from your phone!

Official website of Ms. Valerie A Taylor

Official website of Ms. Valerie A Taylor http://www.valerieataylor.com has been uploaded on the web, as the website development authority says few things will be updated very soon and fittingly tailored, those will be done sooner as they get the Official website of Valerie A Taylormaterials and hopefully it will be an ongoing process. They also welcomed the visitor’s of the site for their valuable comments and words in support of Valerie Taylor on the visitor’s book.

Valerie Ann Taylor, the founder of CRP, daughter of a reverend was born in 1944. Is from Buckinghamshire, England, first came to Bangladesh then known as East Pakistan, with Voluntary Service Overseas (VSO) in 1969 to work as a physiotherapist in Chandragona Hospital, near Chittagong. Valerie founded the CRP in 1979 in response to the desperate need for services for spinal injured patients, the Centre for the Rehabilitation of the Paralysed (CRP) has developed into an internationally respected organization later on.
CRP is the only organisation of its kind in Bangladesh, a country with a population of 140 million. The World Health Organisation (WHO) estimates that 10% of the population in Bangladesh are disabled.

People throughout Bangladesh are touched by the work of CRP. Community Based Rehabilitation (CBR) projects operate in 13 districts of the country. Accident and disability prevention programmes include research components and aim to educate vulnerable groups on safe working and living practises. Advocacy and networking activities bring CRP’s work to the attention of relevant officials and promote improved co-ordination among the many organisation with which CRP works. Awareness raising and publicity campaigns inform the population of relevant issues and attempt to break down the barriers, superstitions and stigmas which prevent disabled people from enjoying equal rights and opportunities.

Putting a doctor in every village

Krishnan Ganapathy reveals how videoconferencing proved to be a cost-effective bridge between urban healthcare resources and rural patients in India. Professor Krishnan Ganapathy is the Head of Telemedicine for Apollo Hospitals and Honorary Advisor to the Armed Forces Medical Services of India.

I head the Apollo Telemedicine Networking Foundation, which is not only the largest provider of healthcare in Asia with 8000 beds, but also the largest practitioner of telemedicine in the region. As early as 1999 we were the first in south Asia to look at telemedicine as a major method of delivering healthcare to suburban and rural India.

The demographic challenge
With a population well in excess of a billion, we find that 80 per cent of doctors practice in the big cities of the country where only 20 per cent of the national population lives. That works out to something a little less than 1 doctor per 10,000 people in rural areas.

I do not think that India will ever be able to provide good healthcare, particularly secondary and tertiary care, to the mass of its population. Taking myself as an example, I am a neurosurgeon, and Madras, the city where I live, has about 85 neurosurgeons for a population of 4.4 million. This contrasts with less than 80 neurosurgeons for the whole of northeast India, which has a population of 250 million. You will find the same stark contrast for other clinical specialities.

The videoconferencing opportunity
India has 650,000 villages, most of which have no communications links with the outside world. However this situation is fast changing at the initiative of the central government which is funding the establishment of telephony links to 80 per cent of all villages over the next five years. India already has more than 80,000 VSAT receivers in villages – and already high-speed broadband is now available in most big towns.

An interesting feature of the Indian experience is how we are leapfrogging generations of technology – the small towns of India will have wireless connectivity before they have telephones.

Apollo Hospitals started off our experiment in telehealthcare using a limited number of dedicated ISDN telephone lines with up to 512kbs data transfer. Now most of our clinics in the smaller towns have at least 128kps. Obviously this is not ‘BBC quality’ – but it serves the purpose for clinical diagnosis.

To date we have done around 19,000 teleconsultations over the last seven years, from 92 centres in India and seven centres overseas. This can work out to between 4 and 50 teleconsultations every day – and whilst this may look small, it represents the largest multi-speciality deployment of telehealthcare in the developing world. And in less than 3 per cent of cases was the video consultation inadequate, necessitating the participants to postpone and redo the consultation. In these cases it was invariably due to a power failure at the remote site where they do not have back-up generators.

Telehealthcare is good for patients, and for business
We started off seven years ago with the challenge of changing the mindset of patients and doctors. Initially there was resistance from every level – until we showed that there is no loss in data, and that the solution is so inexpensive that it was worth the capital outlay.

The money you save in terms of time spent travelling justifies the initial outlay – which then means that improvements to productivity and to the patient experience represent immediate and quantifiable returns. I have seen at first hand the amount of goodwill generated by our telehealthcare services. Once it has been experienced, a patient then becomes the most powerful advocate for this ‘miracle of technology’ – and it is easy to see why.

80 per cent of our consultations are review cases – where a patient has already visited our hospital, has been investigated and treated. In these cases good videoconferencing can prevent the patient from travelling up to 2500 miles in order to come back to see a consultant. We have calculated that videoconferencing saves between 3000-5000 rupees (US$74-US$123) per patient. If you multiply that by 19,000 you can see what videoconferencing has saved our patients.

Originally I used to see patients who were living no more than a mile or so from where I was situated – now I see patients from across the country and from overseas, all through videoconferencing. I firmly believe that videoconferencing is the future of healthcare in places like India.

Source: PSTM, July 25, 2007

some Library Websites

eduBangla.com will gather resources to its web based platform, part of its continuous effort here is the some Library Websites. If anyone of you have some related resources please help us to put it in this platform.

Library Listings

The National Library, India – Official website of national library of India is designated to collect, disseminate and preserve the printed material produced in the country.

http://www.nlindia.org/index2.html

The Goethals Indian Library And Research Society – The library has a vast collection of 18,663 volumes of books, periodicals, bibliographies and dictionaries.

http://www.goethals.org

Central Library – IIT Madras – The central library of IIT Madras provides electronic access to various full text and bibliographical databases.

http://www.cenlib.iitm.ac.in/docs/library/index.php

Archnet – An international online community for architects, planners, urban designers, landscape architects, conservationist, and scholars, with a digital library, calendar, member profile, institutions and a focus on Muslim cultures and civilizations.

http://archnet.org/lobby.tcl

JRD Tata Memorial Library – One of the best scientific & technical libraries in India includes a collection of books, journals, reports, standards and patents in the field of science and technology.

http://www.library.iisc.ernet.in

Sarasvati Mahal Library – Provides a rare collection of wooden & wall paintings, painting on paper, canvass painting, palm leaf & paper manuscripts, maps & atlases, pictures, drawings and copper plates.

http://www.sarasvatimahallibrary.tn.nic.in

Rampur Raza Library – Offers a varied collection of manuscripts, 205 hand-written palm-leaves, 1000 miniature paintings, nearly 3000 specimens of Islamic calligraphy, art objects & astronomical instruments and about sixty thousand volumes of printed books.

http://www.razalibrary.gov.in

The listing has been sourced from a post at Bytes for All Readers & Supporters Forum

by MUNIRAJU.T
Chief Librarian, S R Dental College. India
http://muniraj.t.googlepages.com
http://www.lisresearch.blogspot.com